1. admin@sahas24bd.com : sahas24bd : Ahsan Ullah
[১] শ্রেণীকক্ষের অভাবে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা - sahas24bd
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শিক্ষার্থী আদনান তাসিন হত্যাকাণ্ডের বিচারহিনতার ৩ বছর ভাইরাল হয়নি, তাই বিচার পাইনা [১] নারী এশিয়া কাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান [১] ভক্তদের পদচারণায় মুখর মণ্ডপ, মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা আজ [১] যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেন পূজা চেরী, একই সময়ে যাচ্ছেন শাকিব খান [১] বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে টহল জোরদার [১] হিন্দু সম্প্রদায়কে দুর্গাপূজার শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি এনামুল হক [১] টেকসই উন্নয়নে সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ [১] শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাসপ্তমী [১] বাংলাদেশে বাড়তে পারে বৃষ্টি কমবে তাপমাত্রা [১] ভোট ডাকাতির জন্যই ব্যালট চায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের [১] দুর্গাপূজা উপলক্ষে মাহমুদকাটী সার্বজনীন পুজা মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ ও আলোচনা সভা

[১] শ্রেণীকক্ষের অভাবে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

সুমাইয়া আশা, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৯ বার পঠিত

Tags:

[২] শিক্ষার্থীর তুলনায় পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রেণীকক্ষের অভাবে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এতে করে একদিকে সেশনজট এবং অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ থেকে পিছিয়ে পরে যাচ্ছে। এমনকি শ্রেণীকক্ষের অভাবে ল্যাবক্লাস থেকে পিছিয়ে পরছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। যার ফলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

[৩] গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি) পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রেণীকক্ষের অভাবে ক্লাস রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে উপস্থিত হতে পারছেনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

[৪] সরেজমিনে দেখা যায়, বিভাগটিতে ৪ব্যাচ মিলিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জন। কিন্তু তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরাদ্দকৃত শ্রেণীকক্ষ একটি। যার ফলে নিয়মিত পাঠদান সহ ল্যাব ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

[৫] শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২৫০জন শিক্ষার্থীর জন্য একটি শ্রেণীকক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেটি তাদের জন্য অপর্যাপ্ত। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ৪ব্যাচের শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করতে পারিনা৷ যার কারনে সেশনজট সহ অন্যান্য বিভাগ থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদেরকে আরেকটি রুম প্রদান করলে আমরা নিয়মিত ক্লাস করতে পারব। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে গত ২মাস ধরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শ্রেণীকক্ষের জন্য আবেদন করলেও প্রশাসন বরাবরের মতো আমাদের প্রতি অনীহা প্রকাশ করে আসছে।

[৬] এ বিষয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এমন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি, যেখানে শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষের জন্য আন্দোলন করতে হয়। প্রশাসনের কাছে ২মাস যাবৎ শ্রেণীকক্ষের জন্য আবেদন করে আসছি কিন্তু প্রশাসন আমাদের দিকে অনীহাভাব প্রকাশ করে আসছে। তাদের এ অনীহা ভাবের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ থেকে অনেক পিছিয়ে পরে আছে। আমরা সেশনজটে পরে আছি। যার ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের চাকরী জীবনে প্রভাব বিস্তার করবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি বরাবরের মতো আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা কোথায় যাব?

[৭] এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বর্ষণ তূর্ণ বলেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষাঙ্গিক কাঠামো উন্নয়নে তাদের মেধা কাজে লাগবে। কিন্তু বশেমুরবিপ্রবিতে তার উল্টো। এখানে আমরা নিজেদের শ্রেণীকক্ষ বুঝে পাইনা। যেখানে ২৫০জন শিক্ষার্থীর জন্য ৩টি শ্রেণীকক্ষের প্রয়োজন, সেখানে আমাদের জন্য বরাদ্দ করা রুমের সংখ্যা মাত্র একটি। একরুমে এক ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করলে অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বাহিরে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে করে আমরা পড়াশোনাতে অনেক পিছিয়ে আছি। নিয়মিত ক্লাস করতে পারছিনা। ল্যাব করতে পারছিনা।

[৮] শ্রেণীকক্ষজনিত সমস্যা সম্পর্কে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বর্তমান সভাপতি (সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ ইব্রাহিম শেখ বলেন, শ্রেনীকক্ষের সমস্যা নিয়ে আমরা ইতিপূর্বে ভিসি দপ্তরে একাধিক আলোচনা করেছিলাম। কিন্তু সেটির পজেটিভ কোনো প্রভাব এখন পর্যন্ত হয়নি৷ শ্রেনীকক্ষের অভাবে গত আগস্ট মাসের ১০তারিখ থেকে স্টেপ বাই স্টেপ ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়। একটি ব্যাচের ক্লাস নিলে আরেকটি ব্যাচ ক্লাস করতে পারেনা। এমনকি ক্লাসরুটিন অনুযায়ী যেসব ল্যাব করানোর কথা ছিল আমরা শিক্ষার্থীদেরকে সেগুলোও করাতে পারছিনা। এতে করে তারা সেশনজটের মতো মহামারী ব্যাধিতে আটকে আছে।

[৯] শ্রেনীকক্ষের সমস্যা নিরসনজনিত বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো প্রকার তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নারাজ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved sahas24bd© 2019-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting